Jalen Hurts earns elite spot in 2026 fantasy QB rankings

· Yahoo Sports

Jalen Hurts remains one of the safest and most productive fantasy football quarterbacks entering the 2026 season.

Visit grenadier.co.za for more information.

The Philadelphia Eagles quarterback recently landed third in an ESPN ranking of fantasy quarterbacks for 2026, trailing only Buffalo Bills star Josh Allen and Baltimore Ravens quarterback Lamar Jackson. Hurts finished ahead of Drake Maye, Jayden Daniels, Joe Burrow, Jaxson Dart, Bo Nix, Matthew Stafford, and Brock Purdy in a top 10 that heavily favored quarterbacks with either elite rushing value, high-volume passing production, or both. Hurts’ placement should not be a surprise. Even in a season that included transition and offensive adjustments, he remained one of the league’s most reliable fantasy options because he combined efficiency, touchdown production, and rushing value.

Hurts played 16 games during the 2025 regular season, passing for 3,224 yards, 25 touchdowns, and just six interceptions. He completed 64.8% of his passes and finished with a 98.5 passer rating while helping lead Philadelphia to an 11-5 record. His passing numbers gave fantasy managers a sturdy weekly floor, but his value was once again elevated by what he did near the goal line.

Hurts added eight rushing touchdowns, continuing to provide the type of dual-threat production that separates him from most quarterbacks in fantasy football. Even when his rushing yardage fluctuates, his ability to finish drives as a runner keeps him in the elite tier. That is why he remains so difficult to rank below more traditional pocket passers, even when those quarterbacks post larger passing totals.

Allen and Jackson remain logical names at the top of any fantasy quarterback list. Allen has been one of fantasy football’s most dominant players because of his volume, durability, and rushing touchdown upside. At the same time, Jackson’s explosiveness as both a passer and runner gives him week-winning potential. Hurts belongs in that same conversation because his path to fantasy points is similarly stable.

The most notable part of the ranking may be the quarterbacks behind him. Maye and Daniels bring youth and upside; Burrow remains one of the NFL’s most polished passers; Dart and Nix offer intriguing growth potential; Stafford remains productive; and Purdy continues to benefit from an efficient offensive structure. Hurts still landed ahead of all of them, which speaks to the trust fantasy evaluators have in his role and production.

Philadelphia’s 2026 offense will be worth watching after the departure of A.J. Brown and the continued elevation of DeVonta Smith as the team’s No. 1 wide receiver. New pieces such as Makai Lemon, Hollywood Brown, Dontayvion Wicks, and Elijah Moore could reshape the passing game. At the same time, Saquon Barkley and the offensive line should continue giving Hurts balance and support.

For fantasy managers, the equation remains simple. Hurts may not always lead the league in passing yards, but he protects the football, throws touchdowns, wins games, and remains one of the NFL’s most dangerous quarterbacks near the goal line. That combination is why he enters 2026 as a top-three fantasy option and one of the safest premium picks at the position.

This article originally appeared on Eagles Wire: Jalen Hurts trails Josh Allen, and Lamar Jackson in QB ranking

Leggi l'articolo completo alla fonte

Scottish World Cup fans issue warning to England counterparts about ‘expensive’ Boston before Ghana clash

· The Independent

Leggi l'articolo completo alla fonte

কম্পিউটার যখন নিজেই প্রোগ্রামার: ডেভিনের গল্প এবং কোডিংয়ের নতুন ভবিষ্যৎ

· Prothom Alo

ছোটদের বিজ্ঞান

কল্পনা করো, তুমি তোমার পড়ার ঘরে বসে ল্যাপটপে একটি গেম বানানোর চেষ্টা করছ। হঠাৎ একটা জায়গায় এসে তোমার কোড আটকে গেল। তুমি স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে কপালে হাত দিয়ে ভাবছ, ‘উফ! এই বাগটা (Bug) কীভাবে ঠিক করি?’ ঠিক তখনই তোমার পাশ থেকে একজন অদৃশ্য বন্ধু ফিসফিস করে বলল, ‘দাঁড়াও বন্ধু, চিন্তা নেই। আমি কোডের ভুলটা খুঁজে ঠিক করে দিচ্ছি, আর বাকি গেমটা আমি নিজেই শেষ করে রান করে দিচ্ছি। তুমি ততক্ষণে এক কাপ চা খেয়ে এসো!’

Visit extonnews.click for more information.

কেমন হতো বলো তো? সায়েন্স ফিকশন বা বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীর মতো শোনাচ্ছে? কিন্তু ২০২৬ সালের প্রযুক্তি বিশ্বে এটি আর কোনো কাল্পনিক গল্প নয়, বরং এক্কেবারে বাস্তব ঘটনা।

আজকে আমরা চ্যাটজিপিটি বা ক্লডের মতো সাধারণ চ্যাটবট নিয়ে কথা বলব না, যারা শুধু আমাদের প্রশ্নের উত্তর দেয়। আজকে আমরা গল্প করব এমন এক প্রযুক্তি নিয়ে, যে কোনো মানুষের সাহায্য ছাড়াই নিজে একা একা পুরো সফটওয়্যার তৈরি করে ফেলতে পারে। তার নাম ডেভিন (Devin)—বিশ্বের প্রথম স্বয়ংক্রিয় এআই সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার!

চ্যাটজিপিটি সব জানে!
কোড লেখার সময় কোনো ভুল বা বাগ হলে ডেভিন নিজেই ইন্টারনেট ঘেঁটে, গুগলে সার্চ করে সেই সমস্যার সমাধান করে ফেলে এবং পুরো ওয়েবসাইটটি তৈরি করে তোমাকে বুঝিয়ে দেয়!

ডেভিন আসলে কে বা কী?

কগনিশন (Cognition) নামের একটি নতুন আমেরিকান টেক স্টার্টআপ এই ডেভিনকে তৈরি করেছে। এতদিন আমরা যেসব এআই ব্যবহার করেছি, যেমন গিটহাব কোপাইলট (GitHub Copilot), সেগুলো ছিল মূলত আমাদের কোডিংয়ের সহকারী। তুমি এক লাইন কোড লিখলে সে পরের লাইনের পরামর্শ দিত।

কিন্তু ডেভিন সম্পূর্ণ আলাদা। সে কেবল পরামর্শ দেয় না, সে নিজেই একজন পূর্ণাঙ্গ প্রোগ্রামার হিসেবে কাজ করতে পারে। তাকে যদি সাধারণ বাংলায় বা ইংরেজিতে বলা হয়, ‘আমাকে একটা দাবা খেলার ওয়েবসাইট বানিয়ে দাও’—সে নিজে থেকেই একটি পরিকল্পনা সাজায়। এরপর সে তার নিজস্ব ভার্চুয়াল কম্পিউটার, কোড এডিটর এবং ইন্টারনেট ব্রাউজার ব্যবহার করে কোড লিখতে শুরু করে। কোড লেখার সময় কোনো ভুল বা ‘বাগ’ হলে সে নিজেই ইন্টারনেট ঘেঁটে, গুগলে সার্চ করে সেই সমস্যার সমাধান করে ফেলে এবং পুরো ওয়েবসাইটটি তৈরি করে তোমাকে বুঝিয়ে দেয়!

এআই হাইপ, ভবিষ্যদ্বাণী ও অদৃশ্য প্রতারণার রাজনীতি
টার্মিনাল বা শেলে ডেভিন কোডটি রান করে পরীক্ষা করে দেখে যে সব ঠিক আছে কি না। কোনো নতুন লাইব্রেরি বা কোডের নিয়ম জানতে সে নিজে মানুষের মতো ব্রাউজারে ইন্টারনেট ব্রাউজ করতে পারে।

কীভাবে কাজ করে এই জাদুকরী এআই?

খুব জটিল বৈজ্ঞানিক তত্ত্বে না গিয়ে যদি সহজ একটা উপমা দিয়ে বোঝানো যায়: ডেভিন অনেকটা একটা রোবট শেফের (Chef) মতো। তুমি তাকে শুধু বললে, ‘আমি বিরিয়ানি খাব।’ সাধারণ এআই তোমাকে শুধু রেসিপি বা রান্নার প্রণালী লিখে দেবে। কিন্তু ডেভিন নামের এই রোবট শেফ নিজে বাজারে যাবে, চাল-মাংস কিনবে, চুলা জ্বালাবে, রান্না করবে এবং সবশেষে প্লেটে সাজিয়ে তোমার সামনে গরম গরম বিরিয়ানি পরিবেশন করবে!

প্রযুক্তির ভাষায় একে বলা হয় এন্ড-টু-এন্ড অটোমেশন (End-to-End Automation)। ডেভিনের ভেতরে রয়েছে তিনটি প্রধান হাতিয়ার:

১. কোড এডিটর (IDE): যেখানে সে নিজে কোড লেখে।

২. টার্মিনাল বা শেল (Shell): যেখানে সে কোডটি রান করে পরীক্ষা করে দেখে যে সব ঠিক আছে কি না।

৩. ব্রাউজার (Browser): কোনো নতুন লাইব্রেরি বা কোডের নিয়ম জানতে সে নিজে মানুষের মতো ইন্টারনেট ব্রাউজ করতে পারে।

এআই কি কখনো মানুষের চেয়ে বেশি সৃজনশীল হতে পারবে
ডেভিন নামের এই রোবট শেফ নিজে বাজারে যাবে, চাল-মাংস কিনবে, চুলা জ্বালাবে, রান্না করবে এবং সবশেষে প্লেটে সাজিয়ে তোমার সামনে গরম গরম বিরিয়ানি পরিবেশন করবে!

তাহলে কি মানুষের কোডিং শেখার দিন শেষ?

বিজ্ঞানচিন্তার পাঠকদের মনে এখন এই প্রশ্নটা আসা খুব স্বাভাবিক—‘এআই যদি নিজেই সব কোড লিখে ফেলে, তাহলে আমরা কষ্ট করে পাইথন, জাভাস্ক্রিপ্ট বা সি++ শিখব কেন?’

উত্তরটা লুকিয়ে আছে আমাদের চিন্তাভাবনার গভীরে। এআই যতই নিখুঁত কোড লিখুক না কেন, সে কিন্তু মানুষের মতো ‘অনুভব’ করতে পারে না কিংবা একটা নতুন আইডিয়া মাথা থেকে বের করতে পারে না। সে কেবল মানুষের দেওয়া লজিক এবং ইন্টারনেটে থাকা কোটি কোটি ডেটা বিশ্লেষণ করে কাজ করে।

আসল সৃজনশীলতা বা ক্রিয়েটিভিটি কিন্তু মানুষেরই থাকবে। ডেভিনের মতো প্রযুক্তির কারণে এখন কোডিংয়ের রূপ বদলে যাচ্ছে:

  • আগে প্রোগ্রামিং মানে ছিল: ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে টাইপ করা, একটি সেমিকোলন বা ব্র্যাকেটের ভুল খোঁজা এবং বোরিং বয়লারপ্লেট (Boilerplate) কোড লেখা।

  • এখন প্রোগ্রামিং মানে হলো: সফটওয়্যারের মূল আইডিয়াটা কেমন হবে, সেটা মানুষের কী উপকারে আসবে এবং বিভিন্ন সিস্টেম কীভাবে একসাথে কাজ করবে তা ডিজাইন করা।

অর্থাৎ, এআই আমাদের হাতের খাটুনি কমিয়ে দিচ্ছে, যাতে আমরা আমাদের মগজটাকে আরও বড় এবং জটিল কোনো বৈজ্ঞানিক সমস্যা সমাধানে ব্যবহার করতে পারি।

এআই কেন এআইয়ের লেখা ধরতে পারে না
এআই যতই নিখুঁত কোড লিখুক না কেন, সে কিন্তু মানুষের মতো অনুভব করতে পারে না কিংবা একটা নতুন আইডিয়া মাথা থেকে বের করতে পারে না।

বিজ্ঞানমনস্ক তরুণদের জন্য বার্তা

আজ থেকে ৫০ বছর আগে যারা কম্পিউটার আবিষ্কার করেছিলেন, তারা কি ভেবেছিলেন একদিন কম্পিউটার নিজেই নিজের প্রোগ্রাম লিখতে পারবে? বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির এই গতি সত্যিই রোমাঞ্চকর।

ডেভিনের এই গল্প আমাদের ভয় দেখায় না, বরং এক নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দেয়। এখন আর কোডিং শেখার জন্য তোমাকে কম্পিউটার সায়েন্সের মস্ত বড় পণ্ডিত হতে হবে না। তোমার মাথায় যদি একটা দারুণ বৈজ্ঞানিক আইডিয়া থাকে, তাহলে এই এআই-কে সঙ্গী করে তুমি নিজেই তৈরি করে ফেলতে পারো ভবিষ্যতের কোনো চমৎকার আবিষ্কার।

তাই টেকনোলজির এই নতুন যুগে মুখস্থ করার অভ্যেস বাদ দিয়ে আমাদের বাড়াতে হবে লজিক্যাল থিংকিং বা যৌক্তিক চিন্তাভাবনা এবং প্রবলেম সলভিং স্কিল। কারণ দিনশেষে, যন্ত্র যতই বুদ্ধিমান হোক না কেন, তার বুদ্ধির চাবিকাঠি কিন্তু মানুষের হাতেই থাকে!

লেখক: শিক্ষার্থী, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকসূত্র: কগনিশন ল্যাবস রিসার্চ রিপোর্ট, এমআইটি টেকনোলজি রিভিউ এবং হার্ভার্ড বিজনেস রিভিউএআই কি মানুষের বলা মিথ্যা ধরতে পারবে

Leggi l'articolo completo alla fonte