বাজে আবহাওয়ায় প্রথমবার স্থগিত বিশ্বকাপের ম্যাচ, নিয়ম কী বলে

· Prothom Alo

বজ্রঝড়ের কারণে বিশ্বকাপে ফ্রান্স–ইরাক ম্যাচটি সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। এবার বিশ্বকাপে এই প্রথম কোনো ম্যাচে আবহাওয়ার কারণে বিঘ্ন ঘটল।

Visit esporist.com for more information.

ফিলাডেলফিয়া স্টেডিয়ামে প্রথমার্ধে কিলিয়ান এমবাপ্পের গোলে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে ছিল ফ্রান্স। বিরতির পর নিশ্চিত করা হয়, প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে দ্বিতীয়ার্ধের খেলা শুরু হতে দেরি হবে।

ফিফার একজন কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যম দ্য অ্যাথলেটিককে নিশ্চিত করেন, প্রথমার্ধের নির্ধারিত ১৫ মিনিটের বিরতিসহ খেলা অন্তত ৩০ মিনিট বন্ধ থাকবে। ফিলাডেলফিয়া স্টেডিয়ামের এক্স হ্যান্ডলে করা পোস্টে বলা হয়, ‘প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে দ্বিতীয়ার্ধের খেলা শুরু হতে দেরি হচ্ছে। পরিবেশ নিরাপদ মনে হলেই খেলা আবার শুরু হবে। দর্শকদের যার যার অবস্থানে নিরাপদে আশ্রয় নেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।’

এর আগে ফিলাডেলফিয়ায় স্থানীয় সময় বেলা দুইটা থেকে বন্যা–সতর্কতা জারি করা হয়। একই সঙ্গে ভারী বৃষ্টি ও তীব্র ঝড়ের পূর্বাভাসও দেওয়া হয়েছিল। ওই সময়ে হালকা বৃষ্টির কারণে স্টেডিয়ামের প্রবেশদ্বার খুলতে কিছুটা দেরি হলেও দ্রুতই আকাশ পরিষ্কার হয়ে যায়। ফলে স্থানীয় সময় বিকেল পাঁচটায় নির্ধারিত সময়েই ম্যাচ শুরু হয়।

আবহাওয়া প্রতিকূল হলে নিয়ম কী

যুক্তরাষ্ট্রে বজ্রঝড়ে খেলা বন্ধ রাখার নিয়ম মূলত দেশটির ‘ন্যাশনাল ওশেনিক অ্যান্ড অ্যাটমোস্ফেরিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন’–এর সুপারিশের ভিত্তিতে তৈরি। এই নিয়ম অনুযায়ী, স্টেডিয়ামের আট মাইলের (প্রায় ১৩ কিলোমিটার) মধ্যে বজ্রপাত বা বিদ্যুৎ চমকানোর ঘটনা শনাক্ত হলে ম্যাচ স্থগিত করা বাধ্যতামূলক। এমন পরিস্থিতিতে গ্যালারিতে থাকা দর্শকদের স্টেডিয়ামের ভেতরে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়। আর খেলোয়াড় ও অফিশিয়ালরা মাঠ ছেড়ে ড্রেসিংরুমে চলে যান। ফিলাডেলফিয়া স্টেডিয়ামেও একই পদক্ষেপ নেয় ফিফা। স্টেডিয়ামের বড় পর্দায় দর্শকদের গ্যালারি ছেড়ে নিরাপদ স্থানে যাওয়ার অনুরোধ করা হয়। তাতে গ্যালারিও ফাঁকা হয়ে যায় এবং খেলোয়াড় ও অফিশিয়ালরাও ড্রেসিংরুমে ফিরে যান।

খেলা আবার শুরু করতে, ফিলাডেলফিয়া স্টেডিয়ামের আট মাইলের মধ্যে ৩০ মিনিট নতুন করে কোনো বজ্রপাত না হওয়ার শর্ত রয়েছে। এ সময়ের মধ্যে যদি আবারও বজ্রপাত হয়, তবে নতুন করে আরও ৩০ মিনিট অপেক্ষার পর খেলা শুরু করা হবে।

ম্যাচ শুরুর নির্ধারিত সময়ের ৩০ মিনিটের কম সময় আগে যদি এই সীমানার মধ্যে ঝড়বৃষ্টি শুরু হয়, তবে কিক-অফ বা ম্যাচ শুরুর সময়ও পিছিয়ে দেওয়া হবে।

ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা এই বজ্রঝড়সংক্রান্ত নিয়মের জন্য দায়ী নয় এবং সংস্থাটি চাইলে নিয়ম অমান্য বা বাতিল করতে পারবে না।

ম্যাচ কি বাতিল হতে পারে

খেলা স্থগিত রাখার সুনির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা বা ডেডলাইন নেই। এর অর্থ হলো, খেলোয়াড়দের মাঠে নামার জন্য পরিবেশ সম্পূর্ণ নিরাপদ না হওয়া পর্যন্ত ম্যাচটি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হবে কিংবা ম্যাচ শুরুর সময় ঘণ্টার পর ঘণ্টা পিছিয়ে দেওয়া হতে পারে।

এর মানে হলো, একটি ম্যাচ শেষ পর্যন্ত পুরোপুরি স্থগিত বা পণ্ড করার আগে তা ঠিক কতক্ষণ বন্ধ বা বিলম্বিত করা যাবে, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো নিয়ম নেই। তবে ফিফা পরিস্থিতি বিবেচনা করে প্রতিটি ম্যাচের ক্ষেত্রে আলাদাভাবে সিদ্ধান্ত নেবে।

বড় পর্দায় দর্শকদের গ্যালারি ছেড়ে যা্ওয়ার অনুরোধ করা হয়

৪৮ দলের এই টুর্নামেন্টে কোনো ম্যাচ স্থগিত হলে তা সূচিতে বড় ধরনের জটিলতা তৈরি করতে পারে; বিশেষ করে গ্রুপ পর্বে শেষ ম্যাচগুলোর ক্ষেত্রে। কোনো দল যেন আগে থেকেই কত পয়েন্ট লাগবে তা জেনে বাড়তি সুবিধা না পায়, সেটি নিশ্চিত করতে প্রতিটি গ্রুপের শেষ রাউন্ডের ম্যাচগুলো একই সময়ে শুরু হয়। কিন্তু আবহাওয়া বা অন্য কোনো কারণে ম্যাচ শুরু হতে দেরি হলে এই নিয়ম বা সূচি বিঘ্নিত হবে।

বিশ্বকাপে মেসির গোলের চূড়ায় ওঠার রাতে আরও যত রেকর্ড

যুক্তরাষ্ট্রে আগে কি কখনো এমন ঘটেছে

যুক্তরাষ্ট্রে গত বছর ক্লাব বিশ্বকাপে বেশ কয়েকটি ম্যাচ আবহাওয়ার কারণে বিঘ্নিত হয়। নর্থ ক্যারোলাইনায় চেলসি ও বেনফিকার মধ্যে ম্যাচটি এমন পরিস্থিতির মুখে পড়েছিল। ফিফা যেটিকে ‘তীব্র প্রতিকূল আবহাওয়া’ হিসেবে বর্ণনা করে এবং ম্যাচটি শেষ হতে ৪ ঘণ্টা ৩৮ মিনিট সময় লেগেছিল। পরে চ্যাম্পিয়ন হওয়া চেলসির তৎকালীন কোচ এনজো মারেস্কা বিষয়টিকে ‘তামাশা’ বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

একই টুর্নামেন্টে বেনফিকার আরেকটি ম্যাচও বাজে আবহাওয়ার কবলে পড়েছিল। ফ্লোরিডার অরল্যান্ডোয় অকল্যান্ড সিটির বিপক্ষে তাদের সেই ম্যাচটি ওই এলাকার বজ্রঝড়ের কারণে দুই ঘণ্টা পিছিয়ে দেওয়া হয়। এ ছাড়া টেনেসির ন্যাশভিলে বোকা জুনিয়র্সের বিপক্ষে অকল্যান্ডের ম্যাচটি শুরু হতে ৪০ মিনিট দেরি হয়।

বিশ্বকাপের আগে ইংল্যান্ড ও কোস্টারিকার মধ্যকার প্রস্তুতি ম্যাচ স্থানীয় সময় বিকেল চারটায় শুরু হওয়ার কথা ছিল। তবে মুষলধারে বৃষ্টি এবং বজ্রঝড়ের আশঙ্কায় সেই ম্যাচ এক ঘণ্টা পিছিয়ে দেওয়া হয়।

ফিলাডেলফিয়া স্টেডিয়ামের আকাশ কালো মেঘে ঢাকা

বিশ্বকাপে কি কখনো এমন ঘটেছে

১৯৭৪ বিশ্বকাপে টানা কয়েক দিনের রেকর্ড–ভাঙা মুষলধারে বৃষ্টির পর জলমগ্ন ভালদাস্তিয়ন স্টেডিয়ামে সেমিফাইনালে মুখোমুখি হয় তৎকালীন পশ্চিম জার্মানি ও পোল্যান্ড। সেবার মাত্র আধা ঘণ্টা বিলম্বে ম্যাচটি মাঠে গড়ায়।

মেসির বয়স বাড়ে না, মেসির ফুটবল শেষ হয় না

Leggi l'articolo completo alla fonte

‘Frustrated’ Anthony Edwards could be the next NBA star traded: ‘Vultures are swirling’

· NY Post

NBA teams are sniffing around the league's next disgruntled star.

Visit michezonews.co.za for more information.

Leggi l'articolo completo alla fonte

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বাংলাদেশে ১ কোটি ২৭ লাখ শিশুর শিক্ষায় ক্ষতি

· Prothom Alo

সংঘাত, আর্থ–সামাজিক সংকট ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বিশ্বজুড়ে ২৫ কোটির বেশি শিশু–কিশোরের শিক্ষা ব্যাহত হচ্ছে। এর মধ্যে বাংলাদেশের ১ কোটি ২৭ লাখ শিশু–কিশোর রয়েছে। একই কারণে বিশ্বের সোয়া ৯ কোটি শিশু স্কুল থেকে পুরোপুরি ছিটকে পড়েছে। গতকাল মঙ্গলবার জাতিসংঘের প্রকাশিত এক গবেষণা প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

Visit casino-promo.biz for more information.

গবেষণাটি করেছে ‘এডুকেশন ক্যাননট ওয়েট’। এটি বিশ্বের সংকটপূর্ণ অঞ্চলগুলোয় শিশুদের শিক্ষা নিশ্চিত করতে জাতিসংঘের উদ্যোগে গঠন করা একটি বৈশ্বিক তহবিল। চলতি বছর হালনাগাদ করা এই গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মাত্র ১৮ মাসের ব্যবধানে সংঘাত ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সংকটের মুখে পড়া শিশুর সংখ্যা ২ কোটি ১০ লাখ বেড়েছে। ফলে বিশ্বব্যাপী এমন শিশুর সংখ্যা পৌঁছেছে আনুমানিক ২৫ কোটি ৮০ লাখে।

প্রতিবেদনে এমন শিশু–কিশোরদের ওপর আলোকপাত করা হয়েছে, যাদের বয়স স্কুলে যাওয়ার। কিন্তু সংঘাত, বাস্তুচ্যূতি, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এবং দীর্ঘস্থায়ী আর্থ–সামাজিক সংকটের কারণে তাদের শিক্ষা বিঘ্নিত হয়েছে। প্রতিবেদনে দেখা গেছে, এসব কারণে ৯ কোটি ৩০ লাখ শিশু স্কুল থেকে পুরোপুরি ছিড়কে পড়েছে। আর শিক্ষার ক্ষেত্রে সামগ্রিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া ২৫ কোটি ৮০ লাখ শিশুর প্রায় ৬০ শতাংশই মাত্র নয়টি দেশের। দেশগুলো হলো—আফগানিস্তান, বাংলাদেশ, গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, ইথিওপিয়া , মিয়ানমার, নাইজেরিয়া, পাকিস্তান, সুদান ও ইয়েমেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে স্কুলে যাওয়ার বয়সী আনুমানিক ৪ কোটি ২৮ লাখ শিশু রয়েছে। তাদের মধ্যে ১ কোটি ২৭ লাখ শিশুর শিক্ষা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর পেছনে সবচেয়ে বেশি—৯৮ দশমিক ১ শতাংশ দায়ী করা হয়েছে প্রাকৃতিক দুর্যোগকে। আর ১ দশমিক ৯ শতাংশ দায়ী আর্থ–সামাজিক সংকট।

এডুকেশন ক্যাননট ওয়েটের পরিচালক মায়সা জালবুত বলেন, সংঘাত এবং জলবায়ু পরিবর্তন শিক্ষার ক্ষেত্রে অর্জনগুলোকে উল্টো দিকে ঠেলে দিচ্ছে। প্রতিবেদনের ফলাফলগুলো দেখিয়ে দিচ্ছে যে ঠিক কোন জায়গাগুলোয় সবচেয়ে বেশি সহায়তার প্রয়োজন এবং কোথায় বিনিয়োগ করলে সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়বে।

Leggi l'articolo completo alla fonte