Con la frente en alto: Panamá firmó un partidazo, pero se despide del Mundial tras caer ante Croacia
· NBC News
· NBC News
· NY Post

Visit mchezo.co.za for more information.
· Prothom Alo

সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে চাকরিজীবী, গবেষক, শিক্ষকসহ সমাজের নানা শ্রেণির মানুষ সভা-সেমিনার ও প্রশিক্ষণে অংশ নেন। এ জন্য অনেক সময় তাঁরা আয়োজকদের কাছ থেকে নির্ধারিত ভাতা ও সম্মানীও পান।
আগামী ২০২৬–২৭ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেটে সভা, সেমিনার ফি ও সম্মানীর ওপর উৎসে কর বাড়ানো হয়েছে। এখন থেকে কোনো ব্যক্তি, বিশেষ করে সরকারি- বেসরকারি পর্যায়ে চাকরিজীবী কোনো প্রাতিষ্ঠানিক সভা করে ফি বাবদ যে টাকা পাবেন, সেখান থেকে ২০ শতাংশ হারে উৎসে কর কেটে রাখা হবে। যে প্রতিষ্ঠান এই ফি দেবে, তারা ২০ শতাংশ অর্থ কেটে রেখে ওই কর্মকর্তাকে সভা–সেমিনার বাবদ প্রাপ্য ফির বাকি টাকা দেবে। এত দিন এই উৎসে করের হার ছিল ১০ শতাংশ।
Visit sportbet.rodeo for more information.
একইভাবে যেকোনো ধরনের সম্মানীর ওপরও উৎসে করের হার বাড়ানো হয়েছে। এই হারও ১০ থেকে ২০ শতাংশ করা হয়েছে। প্রশিক্ষণ ভাতার ওপরও একইভাবে উৎসে কর ২০ শতাংশ করা হয়।
প্রস্তাবিত বাজেটের নতুন এই বিধানের ফলে যেকোনো ধরনের সম্মানী, মিটিং ফি, প্রশিক্ষণ ভাতার ওপর উৎসে করের হার বাড়ল। ফলে এখন থেকে সম্মানী ও মিটিং ফি বাবদ আগের চেয়ে কম টাকা পাবেন অংশগ্রহণকারীরা।
এ ছাড়া কোনো ব্যক্তি যদি কোনো বিষয়ে কারিগরিসহায়তা দেন, সে জন্য তিনি যদি কোনো ফি বাবদ অর্থ পান, সেই অর্থের ওপরও উৎসে করের হার বাড়বে। ১০ শতাংশের পরিবর্তে নতুন অর্থবছর থেকে ১৫ শতাংশ হারে কর কেটে রেখে ওই ব্যক্তিকে ফি বাবদ অর্থ পরিশোধ করবে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান।
সভা–সেমিনার ফি, প্রশিক্ষণ ভাতাসহ বিভিন্ন ধরনের সম্মানী সাধারণত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বেশি পান। গত বছর সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ ভাতা ও সম্মানী বাড়ানো হয়েছে। যেমন যাঁরা প্রশিক্ষণ দেবেন ও যাঁরা নেবেন, উভয়েরই ভাতা ও সম্মানী বাড়ানো হয়েছে। তবে প্রশিক্ষণার্থীদের ভাতা বেড়ে দ্বিগুণ হয়েছে; আর প্রশিক্ষকদের ভাতা বেড়েছে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত।
সরকারি নিয়ম অনুসারে, অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণে যুগ্ম সচিব ও তদূর্ধ্ব পর্যায়ের কর্মকর্তারা এক ঘণ্টা ক্লাস নিলে ভাতা পান ৩ হাজার ৬০০ টাকা। চতুর্থ ও পঞ্চম গ্রেড বা উপসচিব এবং তার নিম্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা পান তিন হাজার টাকা।
প্রশিক্ষণে গ্রেড-৯ থেকে তদূর্ধ্ব পর্যায়ের কর্মকর্তারা পান ১ হাজার ২০০ টাকা, গ্রেড-১০ থেকে তার নিম্ন পর্যায়ের চাকরিজীবীরা প্রতিদিন প্রশিক্ষণ ভাতা পান এক হাজার টাকা।
একইভাবে কোর্স পরিচালকের সম্মানী প্রতিদিনের জন্য ২ হাজার টাকা, কোর্স সমন্বয়ক ১ হাজার ৫০০ টাকা এবং সাপোর্ট স্টাফদের সম্মানী ১ হাজার টাকা।
এ ছাড়া সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বিভিন্ন ধরনের সভায় অংশ নিলে ভাতা হিসেবে দুই থেকে তিন হাজার টাকা পেয়ে থাকেন।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, আগামী অর্থবছরে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বা এনবিআরের জন্য রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা। বিশাল অঙ্কের এই রাজস্ব আয় বাড়াতে সরকার বিভিন্ন খাতে করের হারও বাড়িয়েছে, তা থেকে বাদ যায়নি সভা–সেমিনারের ফি বা সম্মানীও। ১১ জুন জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী আগামী অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব করেন। এই বাজেট নিয়ে এখনো সংসদে আলোচনা চলছে। ৩০ জুনের মধ্যে এই বাজেট সংসদে পাস হওয়ার কথা রয়েছে। সংসদে কোনো পরিবর্তন না এলে কর–সংক্রান্ত এসব প্রস্তাব আগামী ১ জুলাই থেকে কার্যকর হবে।